Monday, 28 April 2014

উইন্ডোজ Run অপশন এর জন্য ৫০ টি দরকারি কমান্ড !!!

:: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। ::..
..:: উইন্ডোজ Run অপশন নতুন করে পরিচয়  করিয়ে দেয়ার কিছু নাই। আমরা প্রায় সকলেই এর কাজ জানি কিছু Command ও জানি। ::..
..:: আজ আপনাদের মাঝে এলাম  এই রান অপশন এর ৫০ টা কমান্ড নিয়ে। ::..
-----

নিচে প্রয়োজনীয় অনেক কমান্ড দেওয়া হলো:

Task Manager – taskmgr
System Properties – sysdm.cpl
Task Manager – taskmgr
Windows Explorer – explorer
Windows Firewall- firewall.cpl
Windows Magnifier- magnify
Windows Media Player – wmplayer
Windows Messenger – msmsgs
Windows XP Tour Wizard – tourstart
Wordpad – write
Add/Remove Programs – appwiz.cpl
Adobe Photoshop (if installed)- photoshop
Bluetooth Transfer Wizard – fsquirt
Calculator – calc
Control Panel – control
Date and Time Properties – timedate.cpl
Firefox (if installed)- firefox
Free Cell Card Game- freecell
Scanners and Cameras – sticpl.cpl
Scheduled Tasks – control schedtasks
Shuts Down Windows – shutdown
Microsoft Chat – winchat
Microsoft Excel (if installed) – excel
Microsoft Movie Maker – moviemk
Microsoft Paint – mspaint
Microsoft Powerpoint (if installed)- powerpnt
Mouse Properties – control mouse
Mouse Properties – main.cpl
Network Setup Wizard – netsetup.cpl
Notepad – notepad
On Screen Keyboard – osk
Opens AC3 Filter (If Installed) – ac3filter.cpl
Outlook Express – msimn
Paint – pbrush
Game Controllers- joy.cpl
Help and Support- helpctr
Internet Explorer- iexplore
Pinball Game – pinball
Power Configuration – powercfg.cpl
Printers and Faxes – control printers
Printers Folder – printers
Real Player (if installed)- realplay
Registry Editor – regedit
Remote Access Phonebook – rasphone
Remote Desktop – mstsc
Keyboard Properties – control keyboard
System Configuration Editor – sysedit
System Configuration Utility – msconfig
System Information – msinfo32.

Saturday, 26 April 2014

এতো কম দামে, এত ভালো ডিজিটাল ক্যামেরা? সত্যিই আপনাকে আশ্চর্য্য করে দিবে!!!

প্রযুক্তির সহজ লভ্যতার জন্য এখন আর ডিজিটাল ক্যামেরা বিলাসিতার কিছু নয়। একটু শখ আর অল্প একটু সামর্থ্য থাকলেই আপনি পেতে পারেন খুবই ভালো একটি ডিজিটাল ক্যামেরা। তাও আবার অনেকের সামর্থ্যের মধ্যে।
ক্যামেরা নিয়ে ইদানিং ঘাটাঘাটি করতে যেয়ে, আমি আশ্চর্য্য হয়েছি, উৎফুল্ল হয়েছি এতো কম দামে এতো ভালো ক্যামেরা পাওয়া যায়?
আজকে আপনাদের সামনে একটি ক্যামেরা নিয়ে আলোচনা করবো। ক্যামেরার বিশেষ ফিচার গুলো একটু দেখে নিন।
  •  14.2 megapixels, 1/2.3-inch backside-illuminated CMOS (16 megapixels total)
  •  3-inch hybrid touch LCD, 460K dots (চমৎকার টাচ ডিসপ্লে)
  •  Wi-Fi সুবিধা।
  •  স্মার্ট শেয়ারিং ( E-mail, Facebook, Picasa, Android smart phone)
  •  ১৮এক্স LONG জুম, যা এর আবেদনকে বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক গুন। 18x, f3.2-5.8, 24-432mm (35mm equivalent)
  •  FULL HD ভিডিও রেকর্ডিং (1,920 x 1,080 at 30fps)
যে সকল কারনে আপনি এই ক্যামেরাটি কেনার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
  •  এই দামে এতো সুন্দর তিন ইঞ্চির হাইব্রিড টাচ ডিসপ্লে পাবেন না।
  •  এই দামে ১৮ এক্স লং জুমিং সুবিধা পাবেন না।
  •  এই দামে ওয়াইফাই সহ স্মার্ট শেয়ারিং এর সুবিধা পাবেন না।
এবার চলুন দেখি ক্যামেরাটা দেখতে কেমন?








দেখতে কেমন লাগলো? ভালো তো?
ও দাম না শুনে ভালো মন্দ কিছু বলতে পারবেন না। তাহলে চলুন জেনে নেই এর দরদাম। ক্যামেরাটির মডেল হচ্ছে Samsung WB 250F এই ক্যামেরাটি SAMSUNG এর শোরুমে পাবেন ১৮৫০০ টাকায়।
বসুন্ধরা সিটি অথবা BCS computer city (IDB) তে ঘোরাঘুরি করলে ১২০০০ টাকা থেকে ১৫০০০ টাকায় কেনা যাবে। তবে আপনার দরদাম করার দক্ষতা আর একটু ঝালিয়ে নিলে সর্বনিম্ন ১০৫০০ টাকায় এই ক্যামেরাটি কিনতে পারবেন। তাহলে এর দাম দাড়ালো সর্বনিম্ন মাত্র ১০৫০০ টাকা। এই দামে, এর ধারে কাছে অন্য ব্রান্ডের কোন ক্যামেরা নাই। কারো যদি এর কাছাকাছি ফিচারের ক্যামেরা এই দামের মধ্যে জানা থাকে তাহলে জানাবেন।
কারো সামর্থ্য যদি আর একটু কম থাকে, তাহলে তাদেরকে সাজেস্ট করব WB সিরিজের নিচের ক্যামেরা দুটি।
  • Samsung WB 200F            দাম ১০০০০ টাকা
  • Samsung WB 150F            দাম ৮৫০০ টাকা
ভালো থাকুন, অনেক দিন পর টিউন করলাম। আশা করি এখন থেকে রেগুলার হব। এবার যদি ক্যামেরা কেনার সিদ্ধান্ত স্থির করেন, তাহলে অবশ্যই সাথে Class 10 memory  card কিনবেন।

Samsung WB 250F এর ফুল স্পেসিফিকেশনঃ

  • Optical Sensor Type
  • CMOS
  • Total Pixels
  • 16,400,000 pixels
  • Effective Sensor Resolution
  • 14,200,000 pixels
  • Optical Sensor Size
  • 1/2.33"
  • Wireless Connection
  • Wireless LAN
  • Optical Zoom
  • 18 x
  • Image Stabilizer
  • Optical
  • Auto Focus
  • TTL contrast detection
  • AE/AF Control
  • Face-priority AF, Subject-tracking AF
  • Face Detection
  • Face Detection AF/AE
  • Digital Video Format
  • H.264
  • Image Recording Format
  • JPEG
  • Max Video Resolution
  • 1920 x 1080
  • AV Interfaces
  • Composite video/audio
  • Manufacturer
  • Samsung
  • EXPOSURE & WHITE BALANCE
  • Light Sensitivity
  • ISO 3200, ISO 400, ISO 1600, ISO 800, ISO 100, ISO 200, ISO auto, ISO 80
  • Exposure Metering
  • Multi-segment, Center-weighted, Spot
  • Exposure Modes
  • Program, Automatic, Shutter-priority, Manual, Aperture-priority
  • Special Effects
  • Fisheye, Oil Paint, Classic, Cartoon, Retro, Vignetting, Soft Focus, Sketch, Miniature, Cross filter, Halftone Dots, Ink Painting, Zooming Shot, Old Film
  • White Balance
  • Automatic, Presets, Custom
  • White Balance Presets
  • Cloudy, Daylight, Fluorescent light (warm white), Fluorescent light (cool white), Tungsten light
  • Max Shutter Speed
  • 1/2000 sec
  • Min Shutter Speed
  • 16 sec
  • Exposure Compensation
  • ±2 EV range, in 1/3 EV steps
  • LENS SYSTEM
  • Focal Length Equivalent to 35mm Camera
  • 24 - 432 mm
  • Focus Adjustment
  • Manual, Automatic
  • Min Focus Range
  • 31.5 in
  • Macro Focus Range
  • 2 in
  • Zoom Adjustment
  • Motorized drive
  • Features
  • Built-in lens shield
  • CAMERA FLASH
  • Camera Flash
  • Built-in flash
  • Flash Modes
  • Slow synchro, Fill-in mode, Auto mode, Flash OFF mode, Red-eye reduction
  • ADDITIONAL FEATURES
  • Self Timer Delay
  • 2 sec, 10 sec
  • Additional Features
  • Digital image rotation, Resizing an image, Cropping an image, Saturation control, PictBridge support, Dual image stabilization, Sharpness control, Contrast control, USB 2.0 compatibility, Date/time stamp, Direct print, Exif Print support, Face retouch, DPOF support, USB charging, In-camera red-eye fix, Audio recording, Built-in speaker, 1080p Full HD video calling on Skype
  • DISPLAY
  • Display Features
  • Built-in
  • MICROPHONE
  • Microphone Operation Mode
  • Mono
  • CONNECTIONS
  • Memory Card Slot
  • SD card
  • SOFTWARE
  • Software
  • Samsung Intelli Studio, Drivers & Utilities
  • SYSTEM REQUIREMENTS FOR PC CONNECTION
  • Operating System Support
  • MS Windows 7, MS Windows XP SP2, Apple Mac OS X 10.4 or later, MS Windows Vista
  • Peripheral Devices
  • USB port, CD-ROM drive
  • MISCELLANEOUS
  • Included Accessories
  • Wrist strap, AC power adapter
  • MEMORY / STORAGE
  • Memory Card Slot
  • SD card
  • Supported Memory Cards
  • SDHC Memory Card, SD Memory Card, SDXC Memory Card
  • Max Supported Size
  • 64 GB
  • DIMENSIONS & WEIGHT
  • Width
  • 4.2 in
  • Depth
  • 0.9 in
  • Height
  • 2.3 in
  • Weight
  • 6.5 oz
  • ENVIRONMENTAL PARAMETERS
  • Min Operating Temperature
  • 32 °F
  • Max Operating Temperature
  • 104 °F
  • Humidity Range Operating
  • 5 - 85%
  • MAIN FEATURES
  • Image stabilizer feature
  • Optical stabilization helps prevent blurry pictures, especially for handheld cameras at slow shutter speeds or when using high optical zoom.

Wednesday, 23 April 2014

গ্রাফিকস ডিজাইন শেখার জন্য ধাপগুলো জেনে নিন

আমার কি কম্পিউটার সাইন্স পড়া উচিত? আমি কি পারব? আমি কি কম্পিউটার সাইন্স পড়ে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারব? এরকম প্রশ্ন অনেকে করছেন।
আসলে এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই নিতে হবে।
আপনি যদি মন থেকে এই বিষয়ে এক্সপার্ট হতে চান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দিতে আগ্রহী থাকেন, তাহলে আপনি কম্পিউটার সাইন্স বা IT পড়তে পারেন। আমি মনে করি।
আমি আসলে আলোচনা করবো কম্পিউটার সাইন্স বা IT এর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদা
আসুন জানি,
  • কম্পিউটার হল ভবিষ্যতে আমরা যা ই করতে যাব তার একটা অংশ। একুশ শতকে প্রত্যেকটা কাজে এটা ছাড়া চলা আসলেই অসম্ভব।
  • কম্পিউটিং আপনার নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহনে সহযোগিতা করবে। তাছাড়া স্কিল উন্নয়নে আপনার জীবনে কম্পিউটিং এর বিকল্প নেই।
  • ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজনেস, বিনোদন এবং শিক্ষার প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে কম্পিউটার সাইন্স বা IT  এর ব্যাপক ব্যবহার ছাড়া চলা অসম্ভব।
  • কম্পিউটিং আপনাকে অসাধারণ ক্যারিয়ার উপহার দিতে পারে। এখানে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ বেতনের এবং সর্বোচ্চ সন্তুষ্টির ক্যারিয়ার। ভবিষ্যতে ব্যাপক উন্নয়নের কারিগর হতে পারেন এই পেশার মাধ্যমে।
  • শুধুমাত্র USA এর এক জরিপ দেখায়, IT ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কর্মকর্তার ব্যাপক অভাব। জরিপে আরও বলছে ভবিষ্যতে সবথেকে সম্ভবনাময় কর্মক্ষেত্র করা সম্ভব এই IT  সেক্টরে। তারা বলছে, এই সেক্টরে ট্যালেন্ট খুঁজছেন সবসময় তারা। তাহলে অন্যদেশের কথা আপনারাই ভাবুন-কি সুযোগ এই সেক্টরে।
  • তাছাড়া IT তে পড়াশোনা করে অন্য সেক্টরে কাজ করলেও ক্যারিয়ার  উন্নয়নে বেশি সুবিধা পাবেন অন্যদের থেকে। (গবেষণালব্ধ)
  • IT তে ক্রিয়েটিভ কাজ করার সুযোগ বেশি। আপনার পছন্দের ক্ষেত্রে পদচারনা করতে পারবেন ইচ্ছা মতো।
  • কম্পিউটিং এ দক্ষ হলে আপনি অফিসিয়ালি কাজ না করেও নিজস্ব কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে পারেন।
  • ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বলে, IT সেক্টরে জবের আসলে কোন বাউন্ডারি নাই। আপনি আসলে বিচরন করতে পারেন পৃথিবীর সব সেক্টরে এই কমইউটিং এর মাধ্যমে।
তবে একটা কথা না বললেই নয়, আমাদের দেশে যারা কম্পিউটার সাইন্স পড়ছেন, তারা হয়তো নিজেদের বিশাল কিছু ভেবে বসি!!!
কিন্তু বাস্তব সত্য কথা হচ্ছে আপনার একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি যদি নিজেকে নিজের চেষ্টায় যেকোনো IT সেক্টরে দক্ষ না করতে পারেন, তাহলে হয়তো আপনি ভবিষ্যতে খুব বেশি বিপদে পড়তে পারেন, কর্মক্ষেত্রে যেয়ে।
কম্পিউটার সাইন্স সম্পূর্ণ প্রাকটিকালভাবে জানার একটা বিষয়, সেহেতু নিজেকে দক্ষ করুন নিজের চেষ্টায়; কারণ একডেমিকভাবে প্রাকটিকাল নলেজ কম পাবেন।

Tuesday, 22 April 2014

আউটসোর্সিংয়ে সফল তাঁরা

অনলাইনে বাইরের কাজ করে আয় করা—তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যার পোশাকি নাম আউটসোর্সিং। কয়েক বছর হলো বাংলাদেশের তরুণেরা সফলভাবে এ কাজে যুক্ত হচ্ছেন। নানা পরিসংখ্যানের তথ্য হলো, দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার তরুণ মুক্ত পেশাজীবী (ফ্রিল্যান্সার) হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আউটসোর্সিংয়ে। অনিয়মিতভাবে যুক্ত আছেন আরও অনেকে। তথ্যপ্রযুক্তির এ খাতে উৎসাহ দিতে ২০১১ সাল থেকে আউটসোর্সিং পুরস্কার দিচ্ছে সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। চলতি বছরের পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ১৩ এপ্রিল। পুরস্কার পাওয়া সফল কয়েকজন ফ্রিল্যান্সারকে নিয়ে আজকের আয়োজন। লিখেছেন—রাহিতুল ইসলাম ও মো. রাফাত জামিল
আউটসোর্সিং করার জন্য জানতে হবে
সুলতানা পারভীন
সুলতানা পারভীনপ্রায় দুই বছর ধরে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছেন চট্টগ্রামের মেয়ে সুলতানা পারভীন। সাত ভাইবোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। পত্রপত্রিকায় আউটসোর্সিংয়ে অনেকের সাফল্য দেখেই কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। ‘তাই বিকন আইটি নামের একটি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিংয়ের ওপর একটি কোর্স করলাম। পরে ২০১২-এর ডিসম্বরে প্রথম কাজ শুরু করি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) নিয়ে।’ বললেন সুলতানা পারভীন।
এখন অবশ্য এসইও করেন না, রেসিপি, ব্লগ লেখার কাজ করছেন তিনি। ব্লগ এবং বিভিন্ন পর্যালোচনা লিখে থাকেন ফরমায়েশ মতো। ৪০ হাজার টাকা আয় করছেন প্রতি মাসে। অ্যামাজন থেকে তাঁর ই-বুকও বের হয়েছে। দুই ছেলেমেয়ে তাঁর। বললেন, ‘আসলে অনেকে বলে আউটসোর্সিং করতে গেলে বেশি কিছু জানা লাগে না। বিষয়টা এমন না। অবশ্যই জানা দরকার। কারণ ইংরেজি এবং যে বিষয়ের ওপর কাজ করতে চান, সেটির ওপর দক্ষতা থাকতে হবে।’
নিশ্চিত হোক ইন্টারনেট সংযোগ
প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা
প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাপ্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা ২০১১ সালের ডিসেম্বরে রাঙামাটি শহরে বসে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ। প্রথমে হাব পেজ ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং-সম্পর্কিত বিষয়ে অনুচ্ছেদ লেখা, তারপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ নেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেই করছেন আউটসোর্সিংয়ের কাজ। এ কাজে অনুপ্রাণিত করেছেন গ্রামের অনেককে। বর্তমানে ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার এবং ইল্যান্স ডটকমের মাধ্যমে ওয়েব বিপণনের কাজ করছেন। এখন দল বানিয়ে কাজ করছেন। প্রতি মাসে আয় করছেন ৩৮ হাজার টাকা করে। ইন্টারনেট সংযোগের বিড়ম্বনা এড়াতে নিজের দলবল নিয়ে চলে এসেছেন চট্টগ্রামে। প্রতুল এবার রাঙামাটি জেলা থেকে পুরস্কার পেয়েছেন। প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘আমাদের এখানে ইন্টারনেট সংযোগের গতি অনেক ধীর, সব সময় সংযোগ থাকেও না। রাঙামাটির মতো জেলায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা গেলে এখানে বসেই অনেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে পারবে।’
সততা ও নিয়মানুবর্তিতা থাকতে হবে
জি এম তাসনিম আলম
জি এম তাসনিম আলম২০১১ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ শুরু করেন তাসনিম আলম। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইফোনের অ্যাপলিকেশন (অ্যাপ) নির্মাতা হিসেবে কাজ করতেন। এরপর ওডেস্কের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু করেন আউটসোর্সিংয়ের কাজ।
মুঠোফোনের অ্যাপলিকেশন তৈরি করেন তাসনিম। ওডেস্কের মাধ্যমেই বেশি কাজ পান। প্রথমে একা শুরু করলেও বর্তমানে দল গঠন করেছেন। দলে আছেন ডিজাইনার এবং প্রোগ্রামার। প্রতি মাসে আয় করছেন দুই লাখ টাকার বেশি। তিনি বলেন, কাজের মধ্যে সততা ও নিয়মানুবর্তিতা থাকতে হবে। যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ নেওয়া উচিত। কাজ নেওয়ার সময় ঠিকমতো বুঝে নিতে হবে, তাহলে দুপক্ষের মধ্যে একটা সুসম্পর্ক ও আস্থার জায়গা সৃষ্টি হবে।
চাই দক্ষতা ও ধৈর্য
আনিসুল ইসলাম
আনিসুল ইসলামএসইও ও অনলাইন বিপণন বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন আনিসুল ইসলাম। ২০১২ সালে খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে স্নাতক আনিসুল পড়াশোনার পাশাপাশি গৃহশিক্ষকতা করতেন। নিজে উদ্যোগী হয়ে ২০১০ সাল থেকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর এক বছর চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফরচুন টেক নামে একটি আউটসোর্সিং কোম্পানি চালু করেন। বর্তমানে তিনি কোম্পানি নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আনিসুল এখন প্রতি মাসে পাঁচ হাজার ডলার আয় করেন। তিনি বলেন, ‘যাঁরা কাজ করতে চান প্রথমত ধৈর্য ধরতে হবে। ধৈর্য ছাড়া আউটসোর্সিং পেশা সম্ভব হবে না। কোন বিষয়ের ওপর কাজ করবেন তার ওপর দক্ষতা থাকতে হবে।’
শেয়ার ব্যবসার লোকসান পুষিয়ে নিতে
শামসুল আলম
শামসুল আলমশামসুল আলম পেশায় একজন ব্যাংকার, পাশাপাশি করতেন শেয়ার ব্যবসা। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ২৫ লাখ টাকা লোকসান হয় তাঁর। বাড়তি আয়ের মাধ্যমে ক্ষতিটা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে শুরু করেন আউটসোর্সিং। প্রথম কিছুদিন সময় নেন কাজটা বোঝার জন্য। ২০১১ সালের শেষ সময় থেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডেটা এন্ট্রি ও গবেষণাধর্মী কাজ করতে শুরু করেন। এ কাজে পার করেছেন আড়াই বছরেরও বেশি সময়। শেয়ার ব্যবসার জন্য নেওয়া ব্যাংক ঋণের প্রায় পুরোটাই শোধ করেছেন ইতিমধ্যে। এখন শামসুল আলমের আয় প্রতি মাসে দুই লাখ টাকারও বেশি।
গড়ে তুলেছেন ‘ওয়েফটি’ নামে একটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সাতজন তরুণ। তিনি বলেন, ‘আমি এই কাজটাকে আউটসোর্সিং কিংবা ফ্রিল্যান্সিং বলতে চাই না, এটা আসলে অনলাইন উদ্যোক্তা হওয়ার একটি বিশাল ক্ষেত্র।’
পেপ্যাল থাকলে সুবিধা হতো বেশি
আবদুর রাজ্জাক
আবদুর রাজ্জাক২০১২ সালে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিং, আর সেটাও বগুড়ায় বসে। কাজটা বুঝে উঠতে সময় লেগেছে, ২০১৩ সালে বেড়ে গেছে কাজের পরিধি। আড়াই বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে গেছেন বহুদূর, এখন দুজনে মিলে সব কাজ দেখাশোনা করেন। গ্রাফিকস নিয়েই কাজ তাঁর। এনভাটো ডটকমে বিক্রি করেন নিজের তৈরি গ্রাফিকস ডিজাইন। গড়ে প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করেন তিনি। প্রতি মাসে আয় করছেন সাত লাখ টাকার বেশি।
‘উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকায় আসি। একটা কম্পিউটার গ্রাফিকস প্রতিষ্ঠানে কাজ করা শুরু হয়। এরপর একজন বড় ভাইয়ের কাছে শুনি আউটসোর্সিংয়ের কথা।’ আবদুর রাজ্জাকের শুরুটা এভাবেই। আউটসোর্সিং এখন তাঁর পেশা হয়ে গেছে। আবদুর রাজ্জাক বললেন, ‘আমাদের দেশে পেপ্যালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের সুবিধা না থাকার কারণে নিজস্ব ওয়েবসাইট ব্যবহার করে কাজ করতে পারছি না। পেপ্যাল থাকলে সুবিধা হতো আমাদের।’ নিজে যেমন ভালো করছেন আউটসোর্সিংয়ে তেমনি বগুড়ায় তরুণদের দিচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ।
শুধু টাকা আয়ের জন্য কাজ করি না
মাহফুজা সেলিম
মাহফুজা সেলিমঢাকা মিরপুর বাঙলা কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে পড়ছেন মাহফুজা সেলিম। কম্পিউটার গ্রাফিকস তাঁর ভালো লাগে। তাই একটি কোর্স করেছিলেন তিনি। বললেন, ‘একদিন আমার এক বান্ধবী পরামর্শ দিল ফ্রিল্যান্সিং করার। ২০১১-এর জানুয়ারিতে ওডেস্কে কাজ শুরু করি। ধীরে ধীরে কাজের গতি বাড়তে থাকে।’
বর্তমানে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করেন। ‘তবে শুধু টাকা আয়ের জন্য আউটসোর্সিং করি না। এটুকু মাথায় রেখে কাজ করি, আমি একজন বাংলাদেশি। আর আমি কাজ করছি বাইরের বায়ারদের সঙ্গে, আমার পরিচিতির সঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা আছে।’
শখ থেকেই শুরু
নূর মোহাম্মদ
নূর মোহাম্মদ২০০৭ সালে আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেন নূর মোহাম্মদ। কাজ করেন ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে। ফ্রিল্যান্সার ডটকমেই মূলত কাজ করেন তিনি। প্রথমে একা শুরু করলেও বর্তমানে ১৫ জনের একটি দল আছে তাঁর। মাসিক আয় এক লাখ টাকা প্রায়। তিনি বলেন, ‘শখ থেকেই এ কাজের শুরু। প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা এ ক্ষেত্রে খুব একটা কাজে আসে না। অনলাইন থেকে বিভিন্ন বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও টিউটোরিয়াল দেখেই কাজটা আয়ত্তে এনেছি। অনলাইনে অনেক ডিজাইন কমিউনিটি আছে, যাদের করা নানা রকম ডিজাইন আমাকে এই কাজে আসতে উৎসাহিত করেছে।’ নূর মোহাম্মদ নিজে করেন ওয়েব ডিজাইনের কাজ।
চাকরির চেয়ে ফ্রিল্যান্সিং ভালো
ইয়াসির আরাফাত
ইয়াসির আরাফাতদুই বছর ধরে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছেন ইয়াসির আরাফাত। ওডেস্ক, ইল্যান্স ও সরাসরি বায়ারের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ‘মিডাস জেড-টেকনোলজি’ ফ্রিল্যান্সিং প্রতিষ্ঠানে আছে অংশীদারত্ব। মূলত প্রোগ্রামিং করেন, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজই বেশি করেন। প্রতি মাসে আয় করেন চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা। নিজের প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিয়ে কাজ করিয়ে নেন। ‘সবাইকে বুঝতে হবে চাকরি করার চেয়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করা ভালো। এখানে স্বাধীন মনে কাজ করা যায়।’ বললেন ইয়াসির আরাফাত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ভবিষ্যৎ আনেক ভালো বলে তাঁর ধারণা। এ ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে—এমনটাই ভাবেন ইয়াসির।
বিষয়টি ধৈর্যের
সায়েমা মুহিত
সায়েমা মুহিতঢাকা সিটি কলেজ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক পড়ার সময় আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেন সায়েমা মুহিত পড়াশোনার পাশাপাশি ২০১১ সালে প্রথম সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ শুরু করেছেন তিনি। স্বামী মহিউদ্দিন মুহিতও আউটসোর্সিংয়ে আছেন, গত বছর বেসিস পুরস্কার পেয়েছেন।
সংসার দেখাশোনার বাইরে পুরো সময় আউটসোর্সিং করেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে সায়েমা সবার বড়। বর্তমানে তিনি ১৫ ঘণ্টা করে কাজ করেন, এখন সায়েমার প্রতি মাসে আয় এক লাখ টাকার বেশি। তিনি বলেন, ‘আউটসোর্সিং বিষয়টি ধৈর্যের। মেয়েদের উদ্দেশে বলব, বাইরে চাকরি করার চেয়ে ঘরে বসে আউটসোর্সিং করা অনেক ভালো।’
সম্মিলিতভাবে কাজ করার বড় ক্ষেত্র
মহানন্দ সরকার
মহানন্দ সরকারতরুণদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছেন ৩৮ বছর বয়সী মহানন্দ সরকার। একসময় চাকরির পাশাপাশি কাজ করতেন। পরে চার হাজার ডলারের একটা বড় কাজ পেয়ে যান। কয়েকজন তরুণকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযোগী করে গড়ে তোলেন। সবাই মিলে শেষ করেন প্রকল্পটি।
এর পর থেকেই শুরু। চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন এখন। দুই বছর ধরে করছেন এই কাজ। ইল্যান্স ও সরাসরি বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেন তিনি। এসব প্রকল্পের গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ করেন। প্রতি মাসে আয় এক লাখ টাকা। তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বিনা মূল্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেন।
তিনি বলেন, যেকোনো পেশাজীবী ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে পারবেন। এ জন্য তাঁকে যেকোনো বিষয়ে দক্ষ হতে হবে এবং ভালো ইংরেজি জানতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করার একটা বড় ক্ষেত্র আউটসোর্সিং।
রপ্ত করতে লাগে ছয় মাস
শাকিল হোসাইন
শাকিল হোসাইনঠাকুরগাঁও জেলা থেকে পুরস্কার পেয়েছেন শাকিল হোসাইন। ২০১১ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করছেন। প্রতি মাসে আয় ৩০ হাজার টাকার মতো। মাইক্রো ওয়ার্কস এবং ওডেক্সের মাধ্যমে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করেন তিনি।
শাকিল আগে চাকরি করতেন একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে। স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিং। প্রথমদিকে কিছু বাধা ছিল, সেগুলো কাটিয়ে উঠেছেন। জানালেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে কাজটা বুঝে নেওয়া এবং বুঝিয়ে দেওয়াই বড় একটা ব্যাপার। বড়জোর ছয় মাস কিংবা এক বছর লাগে এই কাজটি রপ্ত করতে।
দক্ষ হলে সফলতা আসবে
আবু সালেহ মো. কায়সার
আবু সালেহ মো. কায়সারশিক্ষকতা ছেড়ে আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেছেন আবু সালেহ মো. কায়সার। কাজ করছেন প্রায় আড়াই বছর হয়ে গেল। মুঠোফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল ও এসএমএস ব্লক করার একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন তিনি। ছেড়ে দিয়েছেন অনলাইন বাজারে। ইউরোপের কয়েকটি দেশে এ অ্যাপ জনপ্রিয়। কল অ্যান্ড এসএমএস ব্লকার প্রো নামের এ অ্যাপ থেকে কায়সারের আয় হয় মাসে প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকা। তিনি বলেন, এই কাজের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করা যায়। কাজটা করার জন্য একটু দক্ষ হতে হবে, তবেই আসবে সফলতা।


আবদুল্লাহ আল মুহাম্মাদওয়েব অ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল্লাহ আল মুহাম্মাদ। ২০০৬ সালে রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক হয়ে ঢাকার একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন। চাকরির পাশাপাশি ২০১০ সালে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিং পেশা। ২০১১ সালে চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে আসেন নিজ জেলা রাজশাহীতে। পুরোপুরিভাবেই শুরু করেন ফ্রিল্যান্স। সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করেন তিনি। প্রতি মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা আয় করেন তিনি। বর্তমানে আরও দুই বন্ধু নিয়ে নিজেই রাজশাহীতে আউটসোর্সিং কোম্পানি চালু করছেন। আবদুল্লাহ আল মুহাম্মাদ বলেন, ‘ঢাকায় সফটওয়্যার কোম্পানিতে খারাপ ছিলাম বিষয়টা এমন নয়, ভালোই ছিলাম। ওখানেও আমি ওয়েব অ্যাপলিকেশন তৈরি নিয়ে কাজ করতাম। অনেক সময় চাকরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। কিন্তু এখন আমি নিজ বাড়িতে বসেই ফ্রিল্যান্সিং করছি। এটাই আমার কাছে বড় ব্যাপার।’

Wednesday, 16 April 2014

বাড়িয়ে নিন আপনার Windows এর 100% Net Speed এবং Windows কে দেখিয়ে দিন বুড়ো আঙ্গুল আর উপভোগ করুন Full Speed এ Download এবং Browse। সব পদ্ধতি এখন আপনার হাতের মুঠোয়

কেমন আছেন সবাই। ব্যাবসার কারনে টিউন করার সময় বের করতে পারছি না। তারপরও যতটুকু সময় পাই টিউন করার চেষ্টা করি। আজকের টিউনে আমি আলোচনা করব কি ভাবে windows থেকে ১০০% নেট Speed পাওয়া যায়।
ছবি - Shutter Stock
windows বিভিন্ন ভাবে bandwidth কেটে রেখে আমাদের নেট Speed কমিয়ে দেয়। এখন কি ভাবে  Windows কে  বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে Full Speed এ Download এবং Browse করার যায়?

এর জন্য কিছু পদ্ধতি রয়েছে। পদ্ধতি গুলো আমি ধাপে ধাপে তুলে ধরব। আমি নিজে এ পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করে আমার windows থেকে ১০০% নেট Speed পাচ্ছি। তাই আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।

এ পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে আপনার নেট Speed দেখেনিন। পদ্ধতি শেষ করার পর আপানার পিসি টি Restart দিন এবং নেট Speed চেক করে দেখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন আপনার নেট Speed বেরছে কিনা?

পদ্ধতি ১ Drain out DNS Cache

এ পদ্ধতি টি খুবই সহজ।নিচে তুলে ধরলাম।
  • প্রথমে আপনি CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।(Cmd লিখে windows যে drive এ আছে সেখানে Search দিন।তাহলে cmd পাবেন)
  • এখন টাইপ করুন IPCONFIG /FLUSHDNS এবং ইন্টার চাপুন।
  • নিচের ছবির মত হলে Close করে দিন।

পদ্ধতি ২ Disable Unnecessary Services

এ পদ্ধতি টি একটু ভাল ভাবে বুঝে করবেন।কিছু service আছে যে গুল আপনার নেট Speed কমিয়ে দেয়।
তাই সে গুল কে নিয়ন্তন করার পদ্ধতি নিচে দিয়ে দিলাম।
  • Run গিয়ে services.msc লিখে Enter চাপুন।
  • নিচের ছবির মত আসবে

  • এখন নিচের service গুলতে right click করে properties এ click করুন।
এখন নিচের ছবির মত automatic থেকে Manual করে ok দিয়ে বের হয়ে যান।

service গুলোর নাম।সব গুল service কে উপরের নিয়মে করতে হবে।
Diagnostic Policy Service, Distributed Link Tracking Client, Offline Files, Performance Logs & Alerts, Program Compatibility Assistant Service, Secondary Logon, Windows Error Reporting Service, Windows Image Acquisition (WIA)

পদ্ধতি ৩ Reset WinSock

WinSock  রিসেট দিলে আপনার ইন্টারনেট এর গতি  বেরে যায়। তাই মঝে মাঝে WinSock  রিসেট দিবেন। কি ভাবে WinSock  রিসেট দেবেন নিচে তুলে ধরলাম।

  • CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।
  • এখন NETSH INT IP RESET C:\RESETLOG.txt লিখে ইন্টার চাপুন
  • নিচের ছবির মত আসলে Cmd Close করুন।ব্যাস এটুকুই।

পদ্ধতি ৪ Update Network Card Driver

এ পদ্ধতিতে আপনার  Network Card Driver সফট টি Update করে নিতে হবে। আমাদের motherboard সিডি তে নতুন Network Card Driver থাকে না। তাই এটিও নেট speed কম হওয়ার কারন।
কিভাবে নতুন Network Card Driver সফট টি আপডেট করব তা নিচে দিলাম।
  • device manager ওপেন করুন।
  • Network adapters এ ভিতরে ঢুকুন।
  • আপনার Network Card Driver right click করে Update Driver Software click করুন।
  • নিচের ছবির মত আসলে Search automatically for updated driver software এ click করে
আপনার Network Card Driver সফট টি আপডেট করে নিন।

পদ্ধতি ৫ Disable Bandwidth Reserves

এ পদ্ধতিটি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ পদ্ধতি টি হয়ত অনেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য কঠিন।

পদ্ধতি 1

  • Run গিয়ে gpedit.msc টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে

  • এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান  Local Computer Policy\Computer Configuration\Administrative Templates\Network\QoS Packet Scheduler
  • এবার Limit reservable bandwidth  এ  right click করে Edit এ click করুন।
  • নিচের ছবির মত আসলে enabled এ click করুন এবং  Bandwidth limit to”0 লিখে ok দিয়ে বের হয়ে যান।

পদ্ধতি 2

  • Run গিয়ে regedit.exe টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে

  • এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\Windows
  • এবার Pshed click করুন।দেখবেন ডান পাশে এই লিখাটি আছে NonBestEffortLimit।
  • NonBestEffortLimit right click করে Modify এ ঢুকুন।

  • এখন Decimal এ click করুন এবং  Value data 1 থেকে 100 দিন।তারপর ok দিন।

সব গুল ধাপ শেষ করে আপনার  computer টি Restart দিন। এখন উপভোগ করুন আপনার windows এ ১০০% Bandwidth। দেখবেন আপনার নেট অনেক খানি ফাস্ট হয়েছে। সব গুল পদ্ধতি আপনি ভাল ভাবে শেষ করতে পারলে windows এ ১০০% Bandwidth পারবেন।

(collected)

Monday, 14 April 2014

ফটোশপের সাহায্যে ছবিতে চমৎকার Water Drop ইফেক্ট দিন ।

আসসালামু-আলাইকুম,
স্বাগতম প্রযুক্তিটিমের নতুন ফটোশপ টিউটোরিয়াল-এ ।
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি চমৎকার ফটোশপ টিউটোরিয়াল । আজকের বিষয় হল ফটোতে Water Drop ইফেক্ট দেওয়া ।

একটা ডেমো দেখে নেওয়া যাক …
Water Drop Effect on Photoshop
খুব সুন্দর তাই না ? হ্যাঁ, আর কিছুক্ষন পর আপনিও পারবেন এমন সুন্দর Water Drop ইফেক্ট দিতে ।
তো চলুন শুরু করি …

Photoshop-এ একটি ছবি ওপেন করুন (যেমনঃ একটি পাতার ছবি)
এরপর নিচে ডানপাশে Layer Tool-এ ক্লিক করুন । ছবিতে দেখুনঃ

এরপর নতুন Layer আসবে । এর নাম দিন Drop .

এবার বামপাশ থেকে Elliptical Marquee Tool সিলেক্ট করুন ।

এবার SHIFT চেপে পাতার ওপর বৃত্ত আঁকুন ।

এরপর Gradient Tool ওপেন করুন ।


এবারে চিত্রে দেখান স্থানে ক্লিক করে 3 নং ডিজাইন সিলেক্ট করুন । এরপর OK করুন ।


এরপর দেখুন এটা সিলেক্ট করা আছে কি না, না থাকলে করে নিন …

এরপর Shift চেপে বৃত্তের এক প্রান্ত থকে অন্য প্রান্তে নিয়ে যান ।

এবার Crtl+D চাপুন , আপনার ছবি এখন এমন হবেঃ

এবার ডানপাশে normal মুড চেঞ্জ করে overlay দিন ।

আপনার ছবি এখন এমন হলঃ

এবার Drop-এ ডাবল ক্লিক করুন , চিত্রের মতঃ

এবার চিত্রে দেখান কাজগুলো ঠিক মত করুনঃ

আবারঃ

আপনার অনেকটা কাজ শেষ ।
এখন, আবার প্রথম ধাপের মত layer tool-এ ক্লিক করে নতুন লেয়ার আনুন । নাম দিন Highlight.

X চেপে colour invert করুন । (সাদা উপরে থাকবে)

এবার brush tool ওপেন করুন ।

এবার বামদিকে উপরে দেখুন আপনার ব্রাশ customize করতে পারবেন । নিচের মত করে customize করুন…
Size: 8 px
Hardness: 90%

এবার আপনার পাতার বামে উপরে একটা ফোঁটা দিন ।

Shift চেপে Highlight ও Drop একসাথে সিলেক্ট করুন

এখন Ctrl+G চাপুন । এমন হয়ে যাবেঃ

এবার চাপুন Ctrl+J . এবার এমন হবেঃ

এবার মুভ টুল সিলেক্ট করুন ।

এবার আপনার পানির ফোঁটাকে অন্যদিকে সরিয়ে আনুন (প্রথম ফোঁটাকে চেপে drug করে) … তাহলে দুইটা দেখাবেঃ

আপনি এখন কোন ফোঁটাকে ছোট-বড় করতে চাইলে Ctrl+T চেপে করুন ।

কাজ শেষে ENTER দিন
এবার , পুনরায় Ctrl+J চাপুন এবং দেখতে হবেঃ

এখন দ্বিতীয় ফোঁটাকে drug করে অন্য কোথাও বসান । মোট তিনটা ফোঁটা হল ।

চাইলে ছোটবড় করে ENTER দিন ।
আপনার কাজ প্রায় শেষ । এখন একটু শিল্পচর্চা :)
আপনি যদি চান পানির ফোঁটা গোল না করে একটু অন্যরকম করবেন তো নিচের কাজটুকু করুন ।
প্রথমে,
Group 1 copy 2 কে expand করুন । এবার Drop-এ ক্লিক করুন (single click)

এবার,
উপরে filter-এ ক্লিক করে Liquify -এ ক্লিক করুন ।

তারপর,
নতুন window আসবে । চিত্রের মত tool-টি সিলেক্ট করুন ।

Ok, এবার,
আপনাকে “]” এবং “[” ব্যবহার করে দুইটার সাইজ same করতে হবে ।


এরপর,
মাউস দিয়ে চেপে ইচ্ছামত সাইজ বানান ।যেমনঃ

এরপর Ok করুন ।
দেখুন, কত সুন্দর আপনি Water Drop ইফেক্ট দিলেন !!!

কিছু Sample ছবি দেখতে পারেনঃ



আজকের মত বিদায়, ভাল থাকবেন, কোন সমস্যা হলে জানাবেন, সল্ভ করে দেব ।

প্রযুক্তির ভূবনে আপনাকে স্বাগতম! মেতে ওঠুন তথ্য প্রযুক্তির সুরে!